বগুড়ার আদমদীঘিতে যৌতুকের জন্য জান্নাতি বেগম (৩২) নামের এক গহবধুকে মারধর সংক্রান্ত মামলায় স্বামী নাজমুল হোসেন (৩৮) কে গ্রেফতার করেছে আদমদীঘি থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত স্বামী নাজমুল হোসেন উপজেলা কুন্দগ্রাম ইউপির কুশাবাড়ি সোনারপাড়ার ফোরকান আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় ওইদিন জান্নাতি বেগমের ভাই তারতা গ্রামের ইসলাম শাহানা বাদি হয়ে ভগ্নিপতি কুশাবাড়ির নাজমুল হোসেন, তার ২য় স্ত্রী আরজিনা বেগম ও চাচা শফি উদ্দিনকে আসামী করে আদমদীঘি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গত বুধবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে স্বামী নাজমুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
আদমদীঘি থানা পুলিশ জানায়, আদমদীঘি উপজেলার তারতা গ্রামের জান্নাতি বেগমের প্রায় ১৬ বছর আগে কুশাবাড়ি গ্রামের নামুল হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের জেহাদ হোসেন (১৩) ও জেমি খাতুন ৫ বছরের দুইটি সন্তান রয়েছে। গত প্রায় ৮ মাস পূর্ব হতে যৌতুকের জন্য মারধর ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করতো তার স্বামী। এ ব্যাপারে গ্রামে কয়েক দফায় শালিস বৈঠক হলেও কোন সুরাহা হয়নি। এক পর্যায়ে স্বামী নাজমুল হোসেন স্ত্রী জান্নাতি বেগমের অনুমতি ছাড়াই ঢাকার একটি মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে করে। দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে নাজমুল হোসেন তার ১ম স্ত্রী জান্নাতি বেগমকে অপর আসামীদের পরামর্শে দেড় লাখ টাকা যৌতুক দাবী জোড়দার ও তার উপড় নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে দেয়। গত ১০ এপ্রিল সকালে পুনরায় যৌতুক দাবী করলে স্বামীর সাথে জান্নাতি বেগমের কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে অপর আসামীদের সহযোগিতায় স্বামী নাজমুল হোসেন স্ত্রী জান্নাতি বেগমেকে বেধড়ক মারধর করে আহত করে। খবর পেয়ে স্বজনরা জান্নাতি বেগমকে উদ্ধার করে আদমদীঘি হাসপাতালে ভর্তি করান। মামলার তদন্তকারি উপ পরিদর্শক প্রদীপ কুমার বর্মন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান অপর আসামীদের গ্রেফতার তৎপরতা চলছে।
Posted ৯:০৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪
Alokito Bogura | Editor & Publisher