বগুড়ায় জাহাঙ্গীর আলমকে সভাপতি ও আবু হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৪ ফেব্রুয়ারি ১০১ সদস্যের কমিটি দেয় জেলা যুবদল। এই কমিটিতে ঠাঁই পেয়েছে যুবলীগ-ছাত্রলীগের পাঁচজন। টাকার বিনিময়ে তাদের নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পদবঞ্চিতদের।
তারা হলেন- সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সুজাউল ইসলাম সুজা, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. ইনসান, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক ফয়সাল ইসলাম, মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ও সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ রানা।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বইছে সমালোচনার ঝড়।
যুবদলের একাধিক নেতা বলেন, কমিটিতে ঠাঁই পাওয়া অনেকেই যুবদলের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ছিলেন না। হঠাৎ পদ পেয়ে গেলেন তারা।
শীর্ষ নেতারা টাকার বিনিময়ে পদ বাণিজ্য করেছে বলে অভিযোগ যুবদলের কয়েকজনের। কেননা ওষুধ ব্যবসার সুবাধে আওয়ামী লীগ নেতা রফি নেওয়াজ খান রবিনের সঙ্গে একাধিক সভায় অংশ নিয়েছেন স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ইনসান। এমন বহু ছবি রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান বলেন, দু-একজনের নামে কথা উঠলেও তারা সবাই যুবদল-ছাত্রদলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কোনো অভিযোগ নেই।
Posted ১১:৪৫ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
Alokito Bogura | Editor & Publisher