বগুড়ার ধুনটে আল আমিন (২৫) নামের এক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় পৌর এলাকার চরধুনট গ্রামের ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় তার উপর হামলার ঘটনা ঘটে।
আজ ৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার ভোরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। যুবলীগ নেতা আল আমিন পৌর এলাকার ওই গ্রামের ভুলু মিয়ার ছেলে। সে সম্প্রতি যুবলীগের সম্মেলনে পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক (প্রস্তাবিত) হিসেবে স্থান পেতে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ভিপি শেখ মতিউর রহমান।
জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে পৌর যুবলীগের সম্মেলন উপলক্ষে একই এলাকার প্রতিপক্ষ গ্রুপের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয় আল আমিনের। পরে সেই বিরোধের জেরে আল আমিন প্রতিপক্ষ গ্রুপের দুইজনকে কুপিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় আল আমিন সহ ৬ জনকে আসামি করে ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজন। সে মামলায় ৫ জন বর্তমানে জামিনে আছে ও আল আমিন পলাতক ছিলেন।
ঘটনার দিন বুধবার সন্ধ্যা দিকে আবু হানিফ নামে এক ব্যবসায়ীর সাথে নিজ বাড়ি হতে আল আমিন মোটরসাইকেল যোগে শহরের দিকে রওনা হন। পথিমধ্যে ইছামতি ব্রীজের কাছে আসলে প্রতিপক্ষের লোকজন মোটরসাইকেল থামিয়ে আল আমিনকে রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে চলে যায়। তখন সাথে থাকা আবু হানিফ ঠেকাতে গেলে তাকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। এসময় তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের দু’জনকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
পরে আল আমিনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। আর আবু হানিফ বর্তমানে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। সে একই এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সৈকত হাসান জানান, আল আমিন নামে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা শুনেছি। তার মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Posted ৬:৫১ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৪
Alokito Bogura | Editor & Publisher