উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণের ফলে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার দুটি ইউনিয়নে বন্যার পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে।
ফলে চরাঞ্চল ও নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেই সাথে উপজেলার তেকানীচুকাইনগর ও পাকুল্লা ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের শত শত পরিবার পানি বন্দী হয়ে পড়েছে।পাশাপাশি ওই দুটি ইউনিয়নের ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১টি দাখিল মাদরাসা পানি বন্দী হওয়ার কারণে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করেছে শিক্ষা অফিস।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের রাধাকান্তপুর,আচারেরপাড়া,খাটিয়ামারী, পূর্ব-সুজাইতপুর, বসুনিয়ারপাড়া এবং তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নের চরসরুলিয়া, খাবুলিয়া, চরমহনপুর, পূর্ব তেকানী,মহব্বতেরপাড়া ও জন্তিয়ারপাড়ার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। পানি বন্দী এলাকার মানুষের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার,পানি এবং গো খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।
দুটি ইউনিয়নের বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বালিয়াডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দাউদেরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভিকনেরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাবুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালুয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুশারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাধাকান্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তেকানী চুকাইনগর পিএম দাখিল মাদ্রাসা।
সরেজমিনে উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের রাধাকান্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান সড়কটি একদম পানিতে নিমজ্জিত। এছাড়াও বিদ্যালয়ের মাঠে প্রায় কোমড় পর্যন্ত পানি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এনায়েতুর রশীদ আলোকিত বগুড়াকে জানান, ‘বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং বিদ্যালয় পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাতিজা খাতুন বলেন, বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ইউএনওকে রিপোর্ট দিয়েছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হক বলেন, সোনাতলা উপজেলার দুটি ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তবে বাঁধের কোথাও কোন সমস্যা হয়নি।
মিনাজুল/আ/ব
Posted ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ০৭ জুলাই ২০২৪
Alokito Bogura | Editor & Publisher