বামে আব্দুর রাজ্জাক ও ডানে সবুজ। ফাইল ছবি-আলোকিত বগুড়া।
বগুড়ার সোনাতলায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক ও সবুজ’র উপর অতর্কিত হামলা ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। নিরব ভুমিকায় রয়েছেন ইউএনও ও ওসি।
গতকাল ৪ ডিসেম্বর (বুধবার) আনুমানিক সকাল ১১.৩০ ঘটিকায় সোনাতলা থানা চত্তরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সেনাবাহিনীর অভিযানে গ্রেফতারকৃত সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম নান্নুকে সোনাতলা থানার ভিতর দেখতে তার শুভাকাঙ্খি-জনতা ভিড় করে এসময় ছবি তোলার জন্য মোবাইল হাতে নিলে সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক ও সবুজের ওপর সিঙ্গার শোরুম ম্যানেজারের শাহীনের নেতৃত্বে ড্রাইভার পুটুসহ তাদের অনুশারীরা মারপিট করে সেই সাথে তাদের হাত থেকে সংবাদ সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
স্থানীয় কয়েকজন দুই জনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে সোনাতলা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
থানার চত্তরে সাংবাদিকরা মারপিটের শিকার হলেও কোন ব্যবস্থা নেননি সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বীকৃতি প্রামানিক ও অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিলাদুন্নবী। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ সচেতন মহল।
এ বিষয়ে হামলার শিকার হওয়া সাংবাদিক সবুজ আলোকিত বগুড়াকে বলেন, আমরা থানার ভিতরে তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক মেয়রের লোকজনকে উসকে দিলে তারা আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমি ও আব্দুর রাজ্জাক আহত হই।
এ বিষয়ে হামলার শিকার আলোকিত বগুড়ার প্রতিনিধি সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক জানান, সোনাতলা থানার ভিতর গ্রেফতারকৃত সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম নান্নুকে দেখতে তার শুভাকাঙ্খি-জনতার ছবি তুলতে গেলে সিঙ্গার শোরুম ম্যানেজারের শাহীনের নেতৃত্বে ড্রাইভার পুটুসহ তাদের অনুশারীরা অমানবিক ভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়; মারপিট করাসহ মোবাইল ছিনিয়ে নেয় এখনো পর্যন্ত মোবাইল দিচ্ছে না পৌর কর্মচারী বক্কর।
এ ঘটনায় থানার এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিলাদুন্নবী আলোকিত বগুড়া’কে জানান, এমন ঘটনা আমার থানার ভিতরে ঘটেনি। পরে কোন মাধ্যমে শুনেছি। এ বিষয়ে কোন অভিযোগ আসেনি বিধায় কোন ব্যবস্থাও নেইনি।
এ বিষয়ে সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বীকৃতি প্রামানিক এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
Posted ৬:১৮ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪
Alokito Bogura | Editor & Publisher