বগুড়া সদরের ধাওয়াপাড়া এলাকায় শহর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জনা বেগম ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখল ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উত্তর ধাওয়াপাড়া এলাকার মৃত আলতাব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম এ অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তার বাবা পৃথক দলিলে মোট ১ একর ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ভোগদখল করে আসছিলেন। জীবদ্দশায় এর মধ্যে ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করলেও অবশিষ্ট জমির মধ্যে ১ একর ৫ শতাংশ জমি সন্তানদের মাঝে রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে দানপত্র করে দেন। বর্তমানে ৯ শতাংশ জমি তার নামে অবশিষ্ট রয়েছে।
রফিকুলের অভিযোগ, উক্ত জমি রঞ্জনা বেগম পৈতৃক বলে দাবি করে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ৫ মে তিনি জমিতে নির্মাণ কাজ শুরু করলে রঞ্জনা বেগম ২০–৩০ জন সশস্ত্র লোক নিয়ে বাধা দেন। এ সময় কাগজপত্র দেখতে চাইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালায়। এতে ৫ জন আহত হন, এর মধ্যে ২ জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ ২ জনকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করে।
রফিকুল আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি নেত্রী প্রভাব খাটিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মামলায় তার ভাতিজা ও ভাগ্নের নাম জড়িয়ে দেন। জমি নিয়ে একাধিকবার থানায় ও আদালতে বৈঠক হলেও তিনি বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তবুও গত ১৫ আগস্ট থেকে তিনি জোরপূর্বক নির্মাণকাজ শুরু করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল দাবি করেন, এসব বিষয়ে বাধা দিলে আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে। ফলে তিনি পরিবার নিয়ে মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহযোগিতা কামনা করেছেন।
Posted ১০:১৭ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৪ আগস্ট ২০২৫
Alokito Bogura | Editor & Publisher