বগুড়ার শিবগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দলের দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দু’দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পৌরসভা এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের শব্দলদীঘি মহল্লায় ও রাত ১১টার দিকে ৪নং ওয়ার্ডের সুলতানপুর মহল্লায় এ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের চার জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
আহতরা হলেন, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র তৌহিদুর রহমান মানিকের সমর্থক উপজেলা শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমেদ, অপর আহতরা হলেন উপজেলা আ’লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক রিজ্জাকুল রহমান রাজুর সমর্থক সিরাজুল ইসলাম, সবুজ ও শাহিনুর ইসলাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার ও নির্বাচনি অফিস তৈরীকে কেন্দ্র করে নারিকেল গাছ প্রতীক ও হ্যাঙ্গার প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে দু’দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজু বলেন, আমি রাজুর পক্ষে জনসংযোগ শেষে শব্দলদিঘী বাজার এলাকায় অবস্থান করার সময় নারিকেল গাছ প্রতীকের সমর্থক সৈকত, আবু রায়হানসহ বেশ কয়েকজন হ্যাঙ্গার প্রতীকের প্রচার প্রচারণা অফিস করতে বাঁধা প্রদান করে। এসময় তারা আমাকেসহ কর্মীদের উপর অতর্কিতভাবে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
নারিকেল গাছ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী তৌহিদুর রহমান মানিক বলেন, রাজুর সমর্থকরা আমার সমর্থকদেরকে বিনা কারণে মারপিট করে আহত করেছে। আমার জনসমর্থন বেশি থাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন আমার বিজয় ঠেকাতে নানা ষড়যন্ত্র করছে। প্রতিপক্ষের নির্বাচনি অফিস করতে আমার লোকজন কোন বাধা সৃষ্টি করেনি। এটা তাদের একটা চক্রান্ত।
হ্যাঙ্গার প্রতীকের প্রার্থী রিজ্জাকুল রহমান রাজু বলেন, আমার জনসমর্থন দেখে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর সমর্থকরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে লাঠি-শোটাসহ আমার সমর্থকদের উপর হামলা চালিয়ে অন্যায়ভাবে ৩জন সমর্থককে মারপিট করে আহত করেছে। প্রচারণার জন্য প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে কোন অফিস করতে দিচ্ছেনা।
থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রউফ বলেন, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করেছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Posted ৬:০০ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Alokito Bogura | Sazu Mia