আমার স্কুল ছাত্র বর্ষনকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আমার পরিবারকে ধ্বংস করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি কুচক্রি মহল বলে মন্তব্য করেছেন ধুনট উপজেলার বেলকুচি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফৌজিয়া হক বিথী।
শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাম্মেল হকের সুযোগ্য কন্যা ও হাইকোর্টের আইনজীবি রাজ্জাকুল কবির বিদ্যুতের সহধর্মীনি।
তিনি ফেসবুক লাইভে বলেন, আমার সন্তান ঢাকায় একটি স্কুলে আবাসিকে থেকে লেখাপড়া করে। তার বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা আমাকে হতাশায় ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, একটি মহল আমার পরিবারকে ধ্বংস করতে চায়। বেশ কয়েকদিন আগে তারা আমাকে ট্রাক চাপায় হত্যা করতে চেয়েছিলো। শ্লীলতাহানিও করেছিল। আমি এ বিষয়ে ধুনট থানায় এজাহার দায়ের করেছিলাম কিন্তু আমার মামলাও এন্ট্রি করেনি প্রশাসন। পরে আমার কোন সুরহাও মেলেনি। আমাকে এখনো প্রতিনিয়ত জ্বালা যন্ত্রণা করছে ওরা। আমাদের বসতবাড়ি ছাড়ানোর উদ্দেশ্যে এসব পায়তারা করছে। আর অসৎ উদ্দেশ্যই আমার ছেলে বর্ষণ কে মামলার মধ্যে নাম দিয়েছে।
সন্ত্রাস মাদক ও বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে সোচ্চার এই শিক্ষিকা করোনা কালীন সময়ে সাধারন খেটে খাওয়া অসহায় মানুষকে নিজের বেতনের সব টাকা ব্যায় করে খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন। ঈদে অসহায় মানুষকে দিয়েছেন ঈদ সামগ্রী। অসহায় মানুষের পাশে থাকায় পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা, জেলা পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কার।
মামলার বিষয়ে ধুনট থানার ওসি সাইদুল আলম জানান, এ বিষয়ে ধুনট থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মামলায় ১৫ নম্বর আসামী হিসেবে বর্ষনকে দেখানো হয়েছে। জড়িত না থাকলে চার্জসীটে নাম বাদ দেয়া হবে।
মামলার বাদী রেজাউল করিম জানান, আমি মামলা করেছি তবে বর্ষন নামের কাউকে চিনি না। একটি পক্ষ আমাকে মামলা করতে সহায়তা করেছে। মামলার কপিতে আমি স্বাক্ষর করেছি।
Posted ১:১০ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪
Alokito Bogura | Editor & Publisher