পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটাকে কেন্দ্র করে বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী বরিশাল বিভাগকে পর্যটন অঞ্চলে পরিনত করবার দাবী জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি’র সাধারন সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি প্রদানকালে এ দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, সারা দেশের পর্যটকদেরকে উৎসাহিত করবার জন্য কুয়াকাটাতে একটা বিমানবন্দর নির্মান জরুরী; পাশাপাশি বরিশাল বিমান বন্দরে ঢাকা, যশোর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সাথে নিয়মিত ফ্লাইট চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় অবকাঠামো বিনির্মানের উদ্যোগ নিতে হবে যাতে করে নিরাপদ ও সহজলভ্য পর্যটন শিল্প গড়ে উঠতে পারে। ব্রিটিশ আমল থেকে চলমান ঐতিহ্যবাহী পর্যটন বান্ধব স্টীমার সার্ভিস এমভি বাঙালী, মধুমতি, পিএস মাসুদ, অসট্রিচ, টার্ন/ল্যাপচা, যেভাবে ঢাকা-কোলকাতা-বরিশাল দাপিয়ে বেড়িয়েছে, সেগুলোকে আবারো ফিরিয়ে আনতে হবে। এতে করে পুরো দক্ষিনাঞ্চলে সাগরভিত্তিক পর্যটনের অপার সম্ভবনার দ্বার উন্মুক্ত হবে।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী নাসির, বরিশাল সোসাইটির আহবায়ক আমানুল্লাহ খান নোমান এবং সহ অর্থ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক।
স্মারকলিপি প্রদানকালে ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্প্রতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে পদ্মা সেতুর পরে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়ক ৬ লেইনে উন্নীত করবে জান-মালের প্রতিদিনকার হেফাজত ও বানিজ্যক সুবিধার্থে। পাশপাশি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জে একটু সেতু নির্মান করে মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলাকে বাবুগঞ্জ ও বরিশাল শহরের সাথে সংযুক্ত করবার জন্য-বরিশালবাসী কৃতজ্ঞ।
আমরা দাবী করছি যে এই দুটো স্থাপনাকে ঘিরে মনোমুগ্ধকর পর্যটন হাব তৈরী করার উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারী জমি যেহেতু অধিগ্রহণ চলমান আছে, এখন পরিকল্পনা করলে পেশাদার ডিজাইনারকে দিয়ে অনেক কম খরচে পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে মনে করি আমরা।
এসময় উপদেষ্টা গুরুত্ব সহকারে এবি পার্টির বক্তব্য শোনেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আর্থিক সঙ্গতির ঘাটতি ও ঋণ ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় নীতিমালার সংকট তুলে ধরেন।
Posted ৭:০৩ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০১ জুন ২০২৫
Alokito Bogura | Editor & Publisher