বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
সারিয়াকান্দিতে চরাঞ্চলের ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া রসাতলে শিবগঞ্জের বুড়িগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সংগ্রহ ও ফরম বিতরণ বগুড়ার আদমদীঘির নাগরনদে অবৈধ বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমান আদালতে দুই জনের কারাদন্ড বগুড়ার আদমদীঘিতে ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু বগুড়ার আদমদীঘিতে ১শ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেফতার ধুনট চুনিয়াপাড়া ভূমিহীনদের গৃহ নির্মানের জায়গা পরিদর্শন বগুড়া শিবগঞ্জে রবিশস্য চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা একমাত্র খেলাধুলাই পারে সমাজের বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখতে-গোকুল ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ পুলিশিং সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে বগুড়া সদরে ১৪নং বিট পুলিশিং কার্যক্রম শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বগুড়া ডিবি পুলিশের অভিযানে ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

সোনাতলা উপজেলার পাকুল্ল্যা ইউনিয়নের সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছেন চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমান শান্ত

নিউজ ডেস্ক,আলোকিত বগুড়া: সকালের সূর্যটা দেখলেই বোঝা যায় দিনটা কেমন হবে? জগতে এমন কিছু সূর্য সন্তান সময়ের দাবিতে পৃথিবীতে পদার্পণ করেন, যাঁদের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে সমাজ, দেশ ও জাতী। আজ এমন একজন কৃতিসন্তানের কথা বলছি, যিনি সোনাতলা উপজেলার পদ্মপাড়া গ্রামের গর্ব তথা সমগ্র বগুড়ার অহংকার। বগুড়ার শিক্ষা, সাহিত্য, সমাজসেবা ও ক্রিয়ায় যে নামটি বরাবরই সর্বমহলে প্রশংসিত তিনিই মোঃ জুলফিকার রহমান শান্ত। সাহিত্য প্রেমী, শিক্ষা অনুরাগী, সমাজসেবক মানবিক গুণী মানুষটির জন্ম ৩১ ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে পাকুল্লা ইউনিয়নের পদ্মপাড়া গ্রামে। পিতাঃ মৃত মোঃ মোখলেসুর রহমান সরকার। তিনি ছিলেন একজন গুনি শিক্ষক। অএ উপজেলায় তার অনেক সুনাম রয়েছে।

পল্লি গ্রামে বেড়ে ওঠা দুর্দান্ত মেধাবী জুলফিকার রহমানের প্রতিভার প্রমাণ মেলে বাল্যকাল থেকেই। তিনি কৃতিত্তের সাথে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনৈতিক ও অনেক সামাজিক সংগঠন এর দায়িত্ব নিয়ে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছে এবং এখনও অনেক সংগঠনের দায়িত্ব নিয়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা বিস্তারে গরীব মেধাবী ছাত্র ছাত্রীর আইকন হিসাবে তিনি বরাবরই সবার পাশে দাঁড়ান বলে জানা গেছে।

ছাত্রজীবনে তিনি বগুড়া সরকারী কলেজের ছাত্র সংসদের জি.এস পদে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবনে দক্ষতা ও সাহসিকতার সাথে কাজ করে ছাত্রদের মন জয় করে হয়ে যান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বগুড়া শহর শাখার সভাপতি, এরপর তাকে বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি পদে দায়িত্ব দেয়া হয়। বগুড়া জেলা ছাত্রলীগে সৎ ও নিষ্ঠার সাথে সফল সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করে তিনি পেয়ে যান বগুড়া সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক এর মত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আজ অবদী এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বগুড়া স্বেচ্ছাসেবকলীগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।

তিনি রাজনীতির পাশাপাশি যুক্ত আছেন ক্রীড়ার সাথেও; বর্তমানে বগুড়া ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী সদস্য পদে, অন্যদিকে বগুড়া সেওজগাড়ী শহিদ তোতা স্মৃতি সংঘ ক্লাবের সাধারন সম্পাদক পদেও দায়িত্ব পালন করছেন।

২০১৬ সালে তিনি সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে মনোয়ন পেয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালের ৭ই আগষ্ট তিনি চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব গ্রহন করেন। বর্তমানে তিনি অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে ও বগুড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক পদে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদানের পর থেকেই সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ, আবেদন-নিবেদন শুনছেন এবং তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি করে জনগণকে সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন। এতে জনদুর্ভোগ লাঘবসহ সরকারের প্রতি জনগণের ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করেছেন।

এ ছাড়া মহামারি করোনায় নিজের নিরাপত্তার কথা না ভেবে দিন-রাত জনগণের সেবায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। করোনার শুরু থেকে দিন রাত মাঠে কাজ করে মানুষের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য অত্র ইউনিয়ন এর গরিব দুস্থ্য মানুষের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন মানবিক সহায়তা সঠিকভাবে পৌঁছে দিয়েছে।

সোনাতলা পাকুল্ল্যা ইউনিয়নের উন্নয়নমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি উপজেলার দায়িত্বশীলদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধান নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

পাকুল্ল্যা ইউনিয়ন পরিষদ ডিজিটাল সেন্টার এর পরিচালক আহসান হাবিব রাবিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা মানবিক একজন চেয়ারম্যানকে পেয়ে খুব আনন্দিত। আমি মনে করি উনার মতো চেয়ারম্যান সকল ইউনিয়নে থাকলে জনদুর্ভোগ থাকবে না। তিনি গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর আইকন। আগামি নির্বাচনে আমরা আবারো উনাকে চেয়ারম্যান হিসেবে আমাদের পাশে চাই। আমি তার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি।

জুলফিকার রহমান শান্ত প্রসঙ্গে আলোকিত বগুড়া পত্রিকার সম্পাদক এম.টি.আই স্বপন মাহমুদ বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি যতদূর জানি তিনি একজন ধর্মভীরু সাদামনের নিরহংকারী মানুষ। তার সাফল্যে পাকুল্ল্যাবাসি তথা আমরা গর্বিত, আমি তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

আলোকিত বগুড়ার প্রতিবেদককে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আজকে আমার এখানে পৌঁছানোর পিছনে যাঁদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ অবদান রয়েছে তাঁরা আমার শ্রদ্ধেয় পিতা মাতা ও মহান শিক্ষাগুরু। আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

নি.ডে/আ.ব/এমটিআই

সংবাদটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
আলোকিত বগুড়া সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক বগুড়া থেকে প্রকাশিত
error: Content is protected !!