1. alokitobogura@gmail.com : alokioto bogura : alokito bogura
  2. admin@alokitobogura.com : alokitobogura.com :
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন

আলোকিত বগুড়া বিজ্ঞপ্তি
**** বহুল প্রচারিত উত্তরজনপদের অনলাইন নিউজ পোর্টাল আলোকিত বগুড়া সারাদেশে জেলা, থানা/উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে ***

গাবতলীতে বসতবাড়ি ও স্কুলের সাথে ইটভাটা ইউএনও’র কাছে অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

নুরনবী রহমান,স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের উত্তর পাড়ায় বসতবাড়ি ও রামেশ্বরপুর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে কোয়াটার কিঃমিঃ এর কম দুরত্বে চলছে আর,এস,এম নামের অবৈধ ইটভাটা; ইউএনও’র কাছে অভিযোগ।

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার রামেশ্বরপুর ইউনিয়েনের ১নং ওয়ার্ড উত্তরপাড়া এলাকায় প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন ৩ ফসলি কৃষি জমিতে বসতবাড়ি ও ফলজ বাগানের নিকট পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের ছাড়পত্র ছাড়াই গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা। উত্তরপাড়া আরএসএম ইটভাটায় চলছে নতুন করে অটো ইট ভাটা প্রস্ততের কাজ। এলাকাবাসীর পক্ষে আশরাফুদ্দৌলা সরকার (পাপুল) বাদী হয়ে গত ০৪ অক্টোবর গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূএে জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের অনুমতি/ছাড়পত্র ছাড়াই রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ০১ কিলোমিটারের কম দুরত্বে লোকালয়ে রাস্তা ধারেই ৩ ফসলি কৃষি জমিতে গড়ে উঠেছে আরএমএস নামক ইটভাটা। চলছে পুরোদমে ইট ভাটা সংস্কারের কাজ। ভাটার আশে পাশে দিগন্ত জুরে কৃষি জমি ফলজ বাগান। যেখানে এখন আগের মত ফসল চাষাবাদ হচ্ছে না।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নির্মাণাধীন ইটভাটা হইতে কমপক্ষে ০১ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে বিশেষ কোনো স্থাপনা, রেলপথ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, ক্লিনিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা অনুরূপ কোনো প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যাবে না।

কিন্তুু সরজমিনে দেখা যায়, তার ভিন্ন চিত্র ২০০৯ সাল থেকেই চলছে লাইসেন্স বিহীন অবৈধ ইটভাটা উক্ত ইটভাটা থেকে বসতবাড়ি মাত্র ২৫ গজ দুরে। আশেপাশের আবাদি জমি দখল হয়ে গেছে ইটভাটার ছোবলে। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো, ইটভাটা থেকে উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুরত্ব ২৫০ মিটার। ভাটার তাপমাত্রায়, ধোঁয়া কালি বালিতে আশে পাশের গাছে ফল-ফুল শুন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। আশেপাশের সবুজের সমারোহে ধুসর কালো। ধানের গাছে ধান নেই আছে শুধু চিটা, এলাকাবাসীর শরীরে দেখা দিয়েছে চর্মরোগ সর্দিকাশি সহ বিভিন্ন ধরনের রোগ। সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে গর্ভবতী মহিলা ও শিশুরা। পুরো এলাকার মানুষ ও প্রা:বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা রয়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে।

ভাটা নিয়ে এলাবাসীর মনে রয়েছে চরম ক্ষোভ কিন্তু ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারে না। প্রতিবাদ করতে গেলেই দেওয়া হয় হামলা, মামলার হুমকি। এমনকি হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে এলাকার পাপুল সরকার আলোকিত বগুড়ার প্রতিবেদক এর কাছে অভিযোগ করে জানায়, আমার বসতবাড়ি ইট ভাটার একদম পাশেই। ২০০৯ সাল থেকে ইটভাটার ধুলা, কালি, বালু আর অতিরিক্ত তাপমাত্রা বসবাস করতে হচ্ছিলো আমাদের পরিবারকে। ইট ভাটার বিষাক্ত গ্যাস, কালি ধুলা বালিতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যেই আমার মা,বাবা, বউ,বাচ্চাসহ ০৪ জন মানুষকে অকালে হাঁড়িয়েছি এক বছর সময়ের মধ্য। বর্তমানে আমি আমার ছোট ভাইসহ বাড়িতে (৩)টি শিশু বাঁচ্চা নীয়ে মোট (৬) জনের পরিবারের সবাই চর্মরোগ, সর্দি,কাশি,শ্বাসকষ্ট, থাইরয়েড, অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, সাইনো সাইটিসসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগতেছি। প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদানের টাকা থেকে আড়াই লক্ষ টাকা ও নিজস্ব ভাবে আড়াই লক্ষ টাকার সংস্থান করে মোট (৫) লক্ষ টাকা ব্যয়ে- “সরকার এগ্রো” নামের একটি খামারের অবকাঠামো নির্মান করেছি কর্মসংস্থানের জন্য। উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তার মতে-ইট ভাটার পাশে গবাদি পশু/ পাখির বসবাস থাকলে,ভাটার ক্ষতিকারক প্রভাব গুলো প্রাণী দেহে পরবে। গবাদি পশুপ্রতিপালন করে জিবীকা নির্বাহ করে খাবো আজ সেটা ও ঝুকিপূর্ণ।

ইট ভাটা মালিক শাজাহান আলীর বক্তব্য, আমি আশরাফুল দৌলা সরকার (পাপুল) এর কাছ থেকে প্রায় এক লক্ষ ইটের বকেয়া টাকা পাবো। টাকা চাইতে গেলে সে বিভিন্ন তালবাহানা করে এবং আমাকে হয়রানিমূলক ভাবে বিভিন্ন জায়গায় আমার ইটভাটার নামে অভিযোগ করে আমাকে একের পর এক হেয় প্রতিপন্ন করে আসছে।

ভাটার মালিকের কাছে কতৃপক্ষের অনুমতি নেয়ার কাগজ দেখতে চাইলে সে কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

এ ব্যপারে ইউএনও’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ইউএনও কে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
error: Content is protected !!