সোমবার ২৫শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

সোনাতলায় যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা

আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টার   বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১
67 বার পঠিত
সোনাতলায় যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা

বগুড়া জেলা সোনাতলা উপজেলায় বর্ষার শুরুতেই দুটি ইউনিয়নে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বেড়েছে নৌকা তৈরী ও মেরামতের চাহিদা। কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছে নৌকা তৈরি এবং মেরামত কাজে। রাতদিন এক টানা কাজ করেও চাহিদা পূরণে হিমসিম খাচ্ছেন তারা। যমুনার পানি বারার সাথে সাথে এ এলাকায় নৌকাই যেন তাদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। এছাড়া অনেকেই পুরাতন নৌকা মেরামত করে নিচ্ছেন চলাচলের উপযোগী করে তোলার জন্য।

জানা যায়, উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের গ্রামগুলোর শিক্ষার্থীরা নৌকার মাধ্যমে স্কুলে যাতায়াত করে থাকে। বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এলাকার জেলেরা নৌকা দিয়ে রাত দিন মাছ ধরার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সারা বছর জুড়ে চরাঞ্চলের কৃষকেরা তাদের কৃষি পণ্য বিপনণের জন্য ব্যবহার করে থাকেন এ নৌকা।


সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার তেকানী চুকাইনগর ও পাকুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে কারিগররা। কেউ করাত দিয়ে কাঠ কাটছে কেউ হাতুড়ি দিয়ে নৌকায় পেরেক লাগাতে ব্যস্ত। এরই মাঝে কথা হয় নৌকা তৈরির কারিগর শহিদুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে কাঠের আসবাবপত্র তৈরী করে থাকি। সে সাথে বন্যার সময় নৌকা তৈরি করি। তবে বন‍্যা এলে নৌকা বানানোর কাজে ব‍্যস্ত থাকি। এখানে বড় নৌকার চেয়ে ছোট ডিঙ্গি নৌকার চাহিদা বেশি। এতে প্রতিটি ১৪ হাতের নৌকা বানাতে ৭ হাজার ৫’শ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ। বিক্রি করা যায় ৯ থেকে ৯ হাজার ৫’শ টাকায়। অনেকে অর্ডার দিয়ে তৈরী করে নেয় আবার অনেকে রেডিমেট নৌকা কিনতে আসে।

এই সময় নৌকার চাহিদা বেড়ে যায়। আমরাও অতিরিক্ত কিছু আয় করতে পারি। একটি নৌকা বানাতে দুইজন মিস্ত্রী দুই দিন সময় লাগে। তাদের মজুরী দিতে হয় ২ হাজার টাকা। তবে কাঠের দাম ও হেলপারদের মজুরী বেড়ে যাওয়ায় লাভ তুলনামূলক ভাবে কম হয়। নৌকা কিনতে আসা সোহেল রানা জানান, বর্ষা মৌসুম এলেই যমুনার অপদা বাধ এলাকাতে নৌকার প্রয়োজন দেখা দেয়। নিচু এলাকায় হওয়ায় বন্যার পানিতে সমস্ত রাস্তা তলিয়ে যায়। তখন নৌকা ছাড়া চলাচলের কোনো উপায় থাকে না।


তেকানী চুকাইনগর ইউনিয়নের ইউপি সদস‍্য জামরুল বলেন, বন‍্যা এলেই বাধের পুর্ব পার্শের গ্রামগুলো তলিয়ে যায়। ফলে নৌকা ছাড়া কেউ চলাচল করতে পারে না। নৌকাই আমাদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।

Facebook Comments Box


Posted ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১

Alokito Bogura। সত্য প্রকাশই আমাদের অঙ্গীকার |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

“ঈদ মোবারক”
“ঈদ মোবারক”

(481 বার পঠিত)

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

সম্পাদক ও প্রকাশক:

এম.টি.আই স্বপন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: এম.এ রাশেদ

বার্তাকক্ষ যোগাযোগ:

০১৬ ১০ ৯১ ১৮ ৪৫

ইমেইল: alokitobogura@gmail.com

বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন কর্তৃক নিবন্ধিত।। তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
''আলোকিত বগুড়া'' সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক বগুড়া থেকে প্রকাশিত।
error: Content is protected !!