সোমবার ২৯শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

সুলেখা আক্তার শান্তা’র “রূঢ় প্রতিদান”

নিজস্ব প্রতিবেদক, আলোকিত বগুড়া   রবিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২১
170 বার পঠিত
সুলেখা আক্তার শান্তা’র “রূঢ় প্রতিদান”

ব্যথার এমন কালো মেঘ জমে আছে। তোকে দেখে বোঝা যায়। আমাকে বল না কি হয়েছে? আফরিন চুপ হয়ে আছে কোন উত্তর দেয় না রুহির কথায়। চুপ হয়ে আছিস কেন, কিছু বল?
আহ! থামত, আমার কোন কিছু ভালো লাগছেনা।
ঠিক আছে তোর যদি না বলতে ইচ্ছে করে তাহলে বলিস না।
আফরিন অমনি রুহিকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলে।
কি হয়েছে বল আমাকে? না বললে বুঝবো কিভাবে।

দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে আফরিনের বুক ফেটে। কি আর বলব, ছোটবেলা থেকে সেই একইভাবে দেখে এসেছি মায়ের উপর বাবা অত্যাচার। বাবা কোন কাজ করে না। নেশার টাকার জন্য মারধোর করে মাকে। মামা আর খালার কাছ থেকে মা টাকা চেয়ে এনে দেয় বাবাকে। বাবা সেই টাকায় নেশা করে। মামা বলেছে, মাকে আর টাকা দিবে না। সে কথা বাবাকে বলতেই বাবা-মাকে অনেক মারধর করল। মাকে প্রতিনিয়তই মারে বাবা। আমি মায়ের এই কষ্ট আর সইতে পারিনা। রুহি চট করে বলে, একটা কাজ কর, তোর বাবাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দে।
না, মা তা কখনোই চায় না। বলে, মান সম্মান যাবে।
তোর বাবা যা করছে তাতে কি মান সম্মান বাড়ছে নাকি! কথা বলতে বলতে কলেজের কাছে এসে পড়ে। কলেজে সবাই ক্লাসে মনোযোগ। আফরিন অন্যমনস্ক হয়ে বাসার কথা ভাবে। না জানি মায়ের অবস্থা কি হয়। ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছেনা সে। কলেজ শেষ করে বাড়ি ফিরে আসে। খাবার খেতে গিলে দেখে হাঁড়িতে ভাত নেই। নিবৃত্তি ক্ষুধার যন্ত্রণা চেপে রাখে। ক্ষুধার যন্ত্রণা চেয়ে আমার বড় যন্ত্রণা লাগে বাবার অশান্তি।
আলেয়া মেয়েকে চিন্তিত দেখে বলে মা কি ভাবছিস। অল্পতে ধৈর্য হারা হতে নেই।
বাবা তোমার উপর যে অত্যাচার করছে তা তুমি অল্প বলছো?
আমি চাই এইসব তোর উপর প্রভাব না পড়–ক।
আফরিন মনে মনে বলে, প্রভাব তো পড়েই আছে আর পড়ার কি বাকি!


আফরিন বিছানা থেকেই শুনতে পায় বাবা-মায়ের চেঁচামেচি চিৎকার। বিছানা ছেড়ে আসতেই দেখে মায়ের চুলের মুঠি ধরে বাবা বলছে, টাকা আনবি না হয় তোকে আজ শেষ করে ফেলব। বাবা তুমি মায়ের গায়ে হাত দিবে না। কে শোনে কার কথা হাসিম উদ্দিন বউয়ের গায়ে হাত চালিয়েই যাচ্ছে। বাবা তুমি মাকে আর মেরো না। হাসেম মেয়েকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। স্ত্রী আলেয়ার চুলের মুঠি ধরে চুলার আগুনে হাত পুড়ে দেয়। যন্ত্রণায় আলেয়া ছটফট করে। আফরিন উঠে এসে বাবার কাছ থেকে মাকে উদ্ধার করে। আফরিন এভাবে মায়ের উপর বাবার নির্যাতন দেখতে থাকে। আলেয়া অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে থাকে। এ অবস্থায়ও স্বামীর নির্যাতন থেকে রেহাই পায়না সে। নির্যাতন বিপর্যস্ত আলিয়ার বেঁচে থাকা দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। সিদ্ধান্ত নেয় সে আর দুনিয়াতে বেঁচে থাকবেনা। বিষ খেয়ে মৃত্যু বরণ করে সে।মায়ের মৃত্যুতে একা হয়ে যায় আফরিন। অসহায় হয়ে পড়েছে সে।

আফরিনের চাচাতো ভাই আউয়াল। আফরিনের একাকীত্ব অবস্থা দেখে, ভাবে বিয়ে দিলে হয়তো বোনটার হতাশা দূর হবে। আফরিন বিয়ে করতে রাজী হয়না। মায়ের উপর বাবার অত্যাচার দেখে পুরুষের প্রতি বিতৃষ্ণা আসে তার। আউয়াল বোনকে বুঝায়। বোন এভাবে কি থাকা যায়? ছন্নছাড়া চাচা কখন কোথায় চলে যায় তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। চাচি সে দুনিয়াতে নেই। তোরা একা একা থাকাটা ভালো দেখায় না।


আফরিন চারিদিক ভেবে বিয়ের জন্য রাজি হয়। বিয়ের প্রস্তাব আসে। আফরিনকে দেখে নাদিমের পছন্দ হয়। বিয়ের সময় দেনা-পাওনার কোনো কথা ছিল না। গদবাধা নিয়মে বিয়ের পর নাদিমের সব চাওয়া-পাওয়া দাঁড়ায়।
আফরিন বলে, চাওয়া-পাওয়া কথা তো বিয়ের সময় ছিল না। এখন তাহলে কেন যৌতুক দাবি করছো!
এটাকে যৌতুক বলে না। কোন কিছু দাবী করলে তাকে যৌতুক বলে নাকি?

তোমার নীতিবোধে কি দাঁড়ায় আমি জানিনা। তোমার দাবি পূর্ণ করার আমার কোনো রাস্তা নেই তা তুমি ভালো করে জান।
নাদিমের মুখোশ খুলতে থাকে। তোর বাবা একটা নেশাখোর। টাকা চেয়ে আনবি তোর ভাই আউয়ালের কাছ থেকে। সে তোকে আমার কাছে বিয়ে দিয়েছে।


বাবাকে নিয়ে কোন কথা বলবা না। আর আমি ভাইয়ের কাছে কোন টাকা চাইতে পারব না।
না পারলে তুই তোর রাস্তা দেখ। তোর বাপ ভাই দায়িত্ব জ্ঞানহীন।

আফরিন স্বামীর কাছ থেকে কোন সুখ শান্তি পায়না। বাবার দেখল মায়ের প্রতি নিষ্ঠুর নির্যাতন। এখন দেখছে নিজের উপর স্বামীর নির্যাতন। সে এ অন্যায় সহ্য করবে না। প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদ করলেও নাদিমের নির্যাতন থেমে না। আদিম ডিভোর্স দেয় আফরিনকে। ডিভোর্স আফরিন মেনে নিতে পারে না। ভাবে হাতের মেহেদী রং উঠতে না উঠতেই সে আমাকে ডিভোর্স দিল। অগ্নিশিখার মতো জ্বলে ওঠে সে। তার মনে জেদ ধরে। অর্থের জন্য বাবা করেছে মায়ের প্রতি নির্যাতন। অর্থের জন্য স্বামী দিয়েছে আমাকে ডিভোর্স। সে নিজে বিত্তশালী হওয়ার সংকল্প করে। সে অর্থের জন্য ডাকাতিতে নেমে যায়। রাত হলে বিভিন্ন জায়গায় সে ডাকাতি করে। লুটে নিয়ে আসে টাকা অলংকার। রাতারাতি অনেক টাকার মালিক হয়ে যায় সে। স্বামী নাদিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে। আফরিনের অর্থ দেখে লোভে পড়ে যায় নাদিম। আফরিনকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায় তার সংসারে। আফরিন মনে মনে বলে, তোর ঘরে যাব আমি ঠিকই কিন্তু সংসার করার জন্য নয়। তোর জীবন কেড়ে নেওয়ার জন্য। তুই বেঁচে থাকবি না এই দুনিয়াতে তোর মরণ আমার হাতে। আফরিন অনেক টাকা অলংকার নিয়ে যায় নাদিমের বাড়ি। আদিম টাকা দেখে আত্মহারা। টাকা অলংকার কোথায় রাখবে দিশেহারা হয়ে উঠে সে। নাদিম রাতে যখন গভীর ঘুমে। শুধুমাত্র অর্থবিত্তের কারণে কাউকে যারা জীবন্ত লাশ হয়ে বেঁচে থাকতে বাধ্য করে মৃত্যুই তাদের প্রাপ্য। এই বলে নিজেকে প্রশমিত করে একজন নরপিশাচকে শেষ করছি। নাদিমের মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে। বের হয়ে আসে নিজের আস্তানায়। আফরিনের এতেও মনের রাগ দূর হয় না। সে মনে করে লোভী মানুষকে দুনিয়া থেকে শেষ করে দিবে।

অনেকদিন পর বান্ধবীর রুহির সঙ্গে দেখা। রুহি জানায় তার স্বামী যৌতুকের জন্য তাকে মেরে ধরে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। আফরিন বলে, তুই চিন্তা করিস না তোর স্বামী যৌতুকের জন্য যে টাকা দাবি করে সব আমি দেবো। তাও জানি সে তোকে শান্তিতে রাখে। আফরিন দেখা করে রুহির স্বামীর সঙ্গে। রুহির স্বামী মাহিনের সঙ্গে দেখা করে বলে, আপনার যে টাকা-পয়সা রুহির কাছে চাওয়া সব আমি দেবো। বিনিময় আমার বান্ধবী রুহিকে সুখে শান্তিতে রাখতে হবে। মাহিন অভিভূত হয়ে তুমি দিবে টাকা! মাহিনের দৃষ্টি চলে যায় আফরিনের দিকে। আফরিনের হাত ধরেই বসে। আফরিন বলে, আমার হাত ধরতে খুব ইচ্ছে করছে?
হ্যাঁ, তোমাকে আমার খুব ভালো লেগেছে। তুমি খুব সুন্দর।
আমাকে ভালোবাসবে? বিয়ে করবে আমাকে?
হ্যাঁ,আমি তোমাকে নিয়ে বাঁচতে চাই।
তাহলে রুহি!
ওকে আমি ডিভোর্স দেবো। তোমাকে নিয়ে আমি সংসার করবো।
তাহলে আমাদের বিয়ে কতদূর?
তুমি যখন চাও।
বিয়ের জন্য প্রস্তুত হও।
কযয়েকদিন পর মাহিন দেখা করে আফরিনের সঙ্গে বলে, তুমি তো আমার সাথে কোন যোগাযোগ করছো না।
ওহো আমিতো তোমাকে ভুলতে বসেছিলাম।
তুমি যদি আমাকে ভুলে যাও এর চাইতে মরণও যে ভালো। চলো আমরা বিয়ে করি।
বিয়ে করার কি দরকার! চলো আমরা বিয়ে ছাড়াই বাসর করি।
ঠিক আছে, ঠিক আছে। তুমি যা বলবে আমি তাই করতে রাজি।
আফরিন অনেক সুন্দর করে বাসর ঘর সাজিয়েছে। মাহিন বাসর ঘরের সাজ দেখে তাজ্জব। মাহিন বাসর ঘরে ঢুকে খুব আনন্দ নিয়ে। আমাকে নিয়ে বাসর করার খুব ইচ্ছা জাগছে না। বলার সঙ্গে সঙ্গে আফরিনের চেহারা ভয়ানক হয়ে উঠে। আফরিন ছুরি বের করে মাহিনের গলায় ধরে। মাহিন ভয়ে কাতর হয়ে যায়! তুমি আমার সঙ্গে এমন করছো কেন? যা বলার এতদিন বলেছ, এখন আর বলার সময় পাবে না। এই বলে এলোপাতাড়ি ছুরি দিয়ে আঘাত করতে থাকে মাহিনের গায়। মাহিনের লাশ নিয়ে যায় রুহির কাছে। আফরিন বলে রুহিকে, দেখে নে শেষবারের মতো নরপিচাশের মুখ।
রুহি কাপড় সরিয়ে দেখে, তার স্বামীর রক্তাক্ত লাশ। কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে রুহি। রুহিকে ধরে আফরিন বলে কাঁদছিস কেন? আমি ওকে মেরে ফেলেছি! স্তব্ধ হয়ে যায় রুহির শরীর।
তুই ওকে মেরে ফেলছিস, কেন?
ও আমাকে বিয়ে করতে চায়েছিল তাই ওর এই পরিণতি করেছি।
এজন্য জন্য একজন মানুষকে খুন করে ফেলবি! এ তুই কি করলি? ও যে আমার স্বামী।
যে স্বামী তোকে রেখে বিয়ে করতে চাই অন্য একজনকে। সে তোর স্বামী হয় কি করে? এই বলে চলে আসে আফরিন নিজের আস্তানায়।

আফরিনের চলতে থাকে দিনদিন ডাকাতির কাজ। টাকার পাহাড় গড়ে তুলে সে। আফরিনের শিষ্য নাহিদ বলে, ম্যাডাম এত টাকা আপনি কি করবেন? টাকা কি করব নদীতে ফেলবো। হাসতে হাসতে বলে, টাকা কি করব আমি নিজেই জানি না।
বেশ কিছুদিন পর আরিফের সঙ্গে তাহানের পরিচয় হয়। তাহানের মনে ধরে আফরিনকে। কিন্তু আফরিন চায়না কোন সম্পর্কে জড়াতে। জীবনসঙ্গী করার ক্ষেত্রে তার কারো প্রতি আস্থা বিশ্বাস নেই।

তাহান নাছোড়বান্দা সে পিছু ছাড়েনা আফরিনের। সে চায় না কোন কারনে আফরিন দূরে থাক। আফরিনকে মনেপ্রাণে ভালোবাসে সে। তাহান জানতে পারে আফরিন টাকা অলংকার লুট করে। সে বুঝায় আফরিনকে তুমি ভুল পথে আছো।
আমাকে সঠিক পথের নির্দেশনা দিতে এসো না। দেখো আমি তোমাকে ভালোবাসি। তোমার টাকা পয়সা কিছুই আমি চাই না। আমি শুধু চাই তোমাকে। আমাকে তুমি ভালোবাসো। শুনবে তাহলে আমার জীবন কাহিনী। হ্যাঁ শুনবো আমি তোমার কথা। কি আছে তোমার জীবনে লুকিয়ে। শোনো তাহলে আমার জীবনের গল্প কথা। আফরিন সব কথা খুলে বলে তাহানকে। সব কথা শুনে তাহান অবাক হয়ে যায়! যা তোমার জীবনে হয়ে গেছে সেসব তুমি ভুলে যাও। এখন নতুন করে জীবন গড়ো তুমি। তাহানের বুঝানে আফরিনের মনে অনুশোচনা জাগে। আর ভাবে তাহানকে তার জীবনে জড়ানো যাবে না। জীবনে অনেক অন্যায় অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়েছে সে। তাহানের জীবন ভাল থাক। আফরিন সিদ্ধান্ত নেয় ডাকাতি করবে না। লুটের যত মালামাল টাকা অলংকার ছিল সব পুলিশের কাছে দিয়ে নিজে আত্মসমর্পণ করে। নিজের অপকর্মের কথা, তার কারণে যে মৃত্যু হয়েছে সব পুলিশকে জানায়। নিজের স্বীকারোক্তি আর অনুতাপের কারণে আদালত তাকে ফাঁসির বদলে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়। আফরিনের সঙ্গে দেখা করার জন্য তাহান মাঝে মাঝে জেলখানায় যায়।

আফরিন বলে তাহানকে, তুমি আমার সঙ্গে দেখা করো না। আমার মত অপরাধীর কাছে তুমি আসো তা আমি চাইনা।
ভালোবাসা মানে না কোন বাধা। পরিস্থিতির শিকারে তুমি অপরাধী হলেও তবুও তো তোমার ভুলের জন্য অনুশোচনা জেগেছে। আমাদের মিলন হলো না এপারে মিলনের জন্য ওপারের অপেক্ষায় থাকবো। তোমার মায়াজালে পড়েছি যে আমি। তাইতো তোমার কাছে বারবার ফিরে আসবো আমি।

লেখার মতামত লেখকের। সম্পাদকীয় নীতিমালার সঙ্গে লেখকের মতামতের মিল নাও থাকতে পারে।

[প্রিয় পাঠক, আপনিও আলোকিত বগুড়া অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। বিভিন্ন সম-সাময়িক বিষয় নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- alokitobogura@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

লেখকঃ সুলেখা আক্তার শান্তা

Facebook Comments Box

Posted ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২১

Alokito Bogura। সত্য প্রকাশই আমাদের অঙ্গীকার |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

“ঈদ মোবারক”
“ঈদ মোবারক”

(498 বার পঠিত)

আজ মহান মে দিবস
আজ মহান মে দিবস

(199 বার পঠিত)

আজ পহেলা বৈশাখ
আজ পহেলা বৈশাখ

(138 বার পঠিত)

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

সম্পাদক ও প্রকাশক:

এম.টি.আই স্বপন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: এম.এ রাশেদ

বার্তাকক্ষ যোগাযোগ:

০১৭ ৫০ ৯১ ১৮ ৪৫

ইমেইল: alokitobogura@gmail.com

বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন কর্তৃক নিবন্ধিত।। তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
''আলোকিত বগুড়া'' সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক বগুড়া থেকে প্রকাশিত।
error: Content is protected !!