রবিবার ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

সারিয়াকান্দিতে পড়েছে লাল মরিচ তোলার ধুম

জাহাঙ্গীর আলম, সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি   মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১
79 বার পঠিত
সারিয়াকান্দিতে পড়েছে লাল মরিচ তোলার ধুম

বগুড়া সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর চরে চরে লাল শুকনা মরিচের ঝাঁজ ছড়িয়ে পড়ছে। মরিচ তোলা ও শুকানোর কাজে কৃষান-কৃষানীরা এখন ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। বসে নেই তাদের ছেলে-মেয়েরাও।

স্থানীয় মরিচ চাষী ও উপজেলা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মরিচের আবাদ হয়ে থাকে সারিয়াকান্দি উপজেলায়। এ উপজেলার যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর চরাঞ্চলে জমিগুলোতে মরিচ আবাদ বর্তমানে অর্থকরি ফসল হিসেবে পরিনত হয়েছে। উৎপাদিত লাল মরিচের টাকা দিয়ে সাংসারিক জীবনে দৈনন্দিন খরচ মিটেয়ে উদবৃত্ত টাকা দিয়ে বিভিন্ন স্থানে জমিজমা ক্রয় করছেন। তবে চলতি মৌসুমে মরিচ চাষে অনেক প্রতিকূল অবস্থা পাড় করতে হয়েছে।

alokitobogura.com

চাষীদের মরিচের বীজে প্রতারনা সহ সরকারী প্রনেদনার মরিচের বীজ, সার তেমন পায়নি। তবে এবার এলাকার চাষীরা প্রায় ৩হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে। প্রায় ১৬শ হেক্টর জমিতে করা হয়েছে স্থানীয় জাতের অর্থ্যাৎ বগুড়া জাতের মরিচের চাষ। আর বাদবাকী জমিতে করা হয়েছে হাইব্রীড জাতের মরিচ চাষ। হাইব্রীড জাতের মরিচে লাল মরিচ পাওয়া না গেলেও স্থানীয় জাতের মরিচে অধিক পরিমাণ লাল মরিচ পাওয়া যায়।

কৃষি অফিস জানায়, চাষ করা স্থানীয় জাতের ১৫শ হেক্টর জমি থেকে প্রায় ৯০হাজার মণ লাল শুকনা মরিচ পাওয়া যাবে। বর্তমান লাল শুকনো মরিচের বাজার দর ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা মণ। এই দরে মরিচ বিক্রি করে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা চাষীরা ঘরে বলে উপজেলা কৃষি অফিস আশা করেছেন। বৃহৎ পাইকারী বাজার হাটফুলবাড়ী থেকে দেশের খ্যাত নেওয়া মসলা কোম্পানি গুলো শুকনো মরিচ ক্রয়ের জন্য আনাগোনা শুরু করে দিয়েছেন। সৌখিন রাধুনীদের প্রিয় বগুড়ার লাল শুকনো মরিচ সংগ্রহের জন্য এরই মধ্য অনেকে হাটফুলবাড়ী এলাকায় অফিস নিয়ে বসে পড়েছেন।

কাজলা ইউনিয়নের ময়ূরের চরের মরিচ চাষী মোখলেছার রহমান বলেন, অনেক প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও মরিচের আবাদ ভাল হয়েছে। ফলন পাওয়া গেছে লাল শুকনো মরিচ ৮ থেকে ৯মণ করে। আমি এবার ৩বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছি। সবমিলিয়ে খরচ পড়েছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। তবে আমি যে পরিমাণ লাল শুকনো মরিচ পেয়েছি তাতে বিঘা প্রতি ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারবো। এছাড়াও সদর ইউনিয়নের বাটিচরের লাল মাহমুদ বলেন, এবার আবহাওয়া ভাল ছিল। আমি ৪বিঘা জমিতে দেশী মরিচের আবাদ করেছিলাম। ফলন খুবই ভাল হয়েছে। আশা করছি উৎপাদিত মরিচ বিক্রি করে আমি এবছর মোটা টাকা ঘরে তুলবো।

উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল হালিম বলেন, মরিচ চাষে উৎসাহ ও উদ্দিপনা দেওয়ার জন্য কৃষকদেরকে আমরা বিভিন্ন রকমের সহায়তা করে আসছি। তাছাড়াও আবহাওয়া ভাল থাকার কারণে এ এলাকার চাষীরা মরিচ উৎপাদন করে ভাল লাভবান হয়েছেন।

Facebook Comments

Posted ৮:৪৭ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১

Alokito Bogura। সত্য প্রকাশই আমাদের অঙ্গীকার |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক :

এম.টি.আই স্বপন মাহমুদ

প্রকাশক: তৃষা মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: এম.এ রাশেদ

বার্তাকক্ষ যোগাযোগ:

০১৭৫০ ৯১১৮৪৫, ০১৬১০ ৯১১৮৪৫

ইমেইল: alokitobogura@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
''আলোকিত বগুড়া'' সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক বগুড়া থেকে প্রকাশিত।
error: Content is protected !!