বুধবার ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

সারিয়াকান্দিতে ভ্যাপসা গরমে তরতর করে বেড়ে উঠছে পাটের আবাদ

জাহাঙ্গীর আলম, সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি   বুধবার, ২৬ মে ২০২১
73 বার পঠিত
সারিয়াকান্দিতে ভ্যাপসা গরমে তরতর করে বেড়ে উঠছে পাটের আবাদ

সারিয়াকান্দির চরাঞ্চলে এবার ভালো আবহাওয়া থাকায় পটের চাষ ভালো হয়েছে। এ বছর পাটের দাম ভালো পাওয়ায় পাট চাষীরা অধিক হারে পাট চাষে ঝুঁকে পরেছেন। বগুড়া জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাটের আবাদ হয়ে থাকে সারিয়াকান্দির চরাঞ্চলে। এবার প্রায় ৭ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করা হয়েছে।

স্থানীয় পাট চাষীদের সূত্রে জানা গেছে, সারিয়াকান্দি উপজেলার অধিকাংশ এলাকা বাঙালি ও যমুনা নদীর বিশাল এলাকায় চরাভূমি রয়েছে। এসব চরের জমিতে গম ও মরিচের আবাদ ভালো হয়ে থাকে। গম ও মরিচের ফসল ঘরে তোলার পর চাষীরা এসব জমিতে পাট চাষে ঝুঁকে পরেন। চৈত্র মাসের শেষ দিকে জমিতে পাটের বীজ বপন করেন চাষীরা। তবে এবার খরার কারণে পাট চাষের বিলম্ব হলেও অনেক চাষী জমিতে সেচ দিয়ে হলেও সময় মে তা পাটের বীজ বপন করেছিলেন। তবে উপজেলার বিল এলাকা অর্থাৎ ফুলবাড়ী, নারচী, কামালপুর ও ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের পাট চাষীরা বোরো ধান কর্তন করার পর অনেক চাষী পাটের আবাদ করেছেন। ধান কর্তন করার পর জমিতে ঠিকমতো মাটি ভেজা থাকায় পাট বীজ বপনের জন্য আলাদা করে সেচ দিতে হয়নি।


উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছর এ উপজেরায় পাট চাষ হয়েছিলো প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমি। এবার চাষ হয়েছে ৭ হাজার ১৫ হেক্টর জমি। এর মধ্যে ১৫ হেক্টর জমিতে জাত পাট, ৫ হেক্টর জমিতে ভারতীয় মেস্টা পাট, বাদবাকী জমিতে তোষা পাটের আবাদ করা হয়েছে। কাজলা ইউনিয়নের ময়ুরের চরের কৃষক বুলু মিয়া বলেন, গত বছর আমি পাট চাষ করেছিলাম ৩ বিঘা জমিতে। পাটের দাম খুবই ভালো ছিলো, ৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সারে ৫ হাজার পাট মণ দরে বিক্রি করেছি। পাটের এখন সুদিন ফিরেছে। এ জন্য ৩ বিঘার স্থলে ৪ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি।

সদর ইউনিয়নের বাটি চরের কৃষক মানিক মিয়া বলেন, গরমে প্রাণি কূলের হাস-ফাস শুরু হলেও ভ্যাপসা গরম এবং মাঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টি হওয়ার কারনে আমাদের জমিতে পাট গাছগুলেঅ তরতর করে বেড়ে উঠছে। চলতি মৌসুম পাটের আবাদের জন্য এখন পর্যন্ত অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করছে। তবে বন্যার পানি দেরিতে আসলে পাটের আবাদের বাম্পার ফলন আশা করছি আমরা।


উপজেলা কৃষি অফিসার মো: আব্দুল হালিম বলেন, প্রতি হেক্টর জমিতে ৬০ থেকে ৭০ মণ করে পাট উৎপাদন হয়ে থাকে। উৎপাদনে প্রতি বিঘায় খরচ হয় ৬ হাজার টাকার মতো। আমরা এবার প্রায় ২ হাজার ৩’শ চাষীকে বিনা মূল্যে পাট বীজ দিয়ে পাট চাষে উৎসাহ দিয়েছি। এবার আবহাওয়া ও দাম ভালো থাকায় চাষীরা অধিক লাভবান হবে বলে আশা করছি। পাটের আবাদ ও পঁচানোর পর আশ যাতে ভালো হয় সে জন্য আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে পরামর্শ দিয়ে আসছি।

Facebook Comments Box


Posted ৬:১৯ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২৬ মে ২০২১

Alokito Bogura। সত্য প্রকাশই আমাদের অঙ্গীকার |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

“ঈদ মোবারক”
“ঈদ মোবারক”

(482 বার পঠিত)

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

সম্পাদক ও প্রকাশক:

এম.টি.আই স্বপন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: এম.এ রাশেদ

বার্তাকক্ষ যোগাযোগ:

০১৬ ১০ ৯১ ১৮ ৪৫

ইমেইল: alokitobogura@gmail.com

বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন কর্তৃক নিবন্ধিত।। তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
''আলোকিত বগুড়া'' সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক বগুড়া থেকে প্রকাশিত।
error: Content is protected !!