সোমবার ২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বোরো ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন সারিয়াকান্দির চরের চাষীরা 

জাহাঙ্গীর আলম, সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি   বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১
137 বার পঠিত
বোরো ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন সারিয়াকান্দির চরের চাষীরা 

বগুড়া সারিয়াকান্দির চরাঞ্চলে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে এবছর। চাষীরা ১ হাজার ৪০ টন চাল ঘরে তুলবেন এবার এ ফসল থেকে। আশা করা হচ্ছে আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যেই এ ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ শেষ করবেন চরের চাষীরা।

স্থানীয় সূত্রে ও উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানা গেছে, সারিয়াকান্দি উপজেলার বিস্তৃীর্ণ এলাকা জড়ে যমুনা ও বাঙ্গালী নদী রয়েছে। নদী দুটির দু’কূল জুড়ে বিশাল এলাকা অনাবাদী পড়ে থাকে। তবে স্থানীয় চাষীরা যে যার মতো কোনো রকমের হাল চাষ না করেই অগ্রায়ন ও পৌষ মাসের দিকে স্থানীয় জাতের বোরো ধানের চারা রোপন করে থাকে। তবে এ ধানের দুই জাত রয়েছে। জাত দুটি হলো সাদা ও কালো বোরো ধান। নরম ও উর্বর পলি মাটিতে এ ধানের চারা রোপন করার পর কোন ধরনের সার ছাড়াই তরতর করে বেড়ে উঠতে থাকে ধান গাছ।

alokitobogura.com

এ উপজেলায় এ মৌসুমে ২০০ হেক্টর জমিতে কালো জাতের বোরো আর ৪৫০ হেক্টর জমিতে সাদা জাতের বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। এ ধানের চালের ভাত খেতে সাধারণত স্বাদ কম লাগলেও পান্তাভাত খেতে খুবই ভালো লাগে। যার কারনে এ এলাকার চাষীরা এ ধানের চাষ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এছাড়াও চৈত্র মাসে গো-খাদ্যের সংকট উত্তোরনে এ ধানের খড়ের ভূমিকা অপরিসীম বলে চাষীরা জানান।

এরই মধ্যে এ ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন চরের চাষীরা। ৫০ ভাগ ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ শেষ করা হয়েছে এরই মধ্যে। ফলন পাওয়া যাচ্ছে প্রতি বিঘায় ৭ থেকে ৮ মণ করে।

সদর ইউনিয়নের চর বাটিয়া চরের চাষী আলমগীর হোসেন মানিক আলোকিত বগুড়া’র প্রতিবেদককে বলেন, আমি এবার ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। এ পর্যন্ত অর্ধেকের বেশি জমির ধান কাটা হয়েছে নদীতে। ঢলের পানি দেড়িতে আসায় ধান কাটতে কোনই সমস্যা হচ্ছে না। বিল এলাকায় ইরি-বোরো ধানের ফলনে আবহাওয়া জনিত কারনে ফলনে মারাত্মক বিপর্যয় হলেও বিগত ৫/৬ বছরের মধ্যে এবার কালো বরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল হালিম আলোকিত বগুড়া’র প্রতিবেদককে বলেন, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের কিছু অংশে এ ধানের আবাদ হয়ে থাকলেও দেশের অন্য কোন স্থানে এর আবাদ হয় না। চরের চাষীরা অত্যান্ত পরিশ্রমী হওয়ায় কোন রকমের জমি ফেলে রাখতে চাননা বলেই এ ফসলের আবাদ করে থাকেন। চাষীদের কাছে এটা পরে পাওয়া ফসল হিসেবে পরিচিত। অনুকূল আবহাওয়ার কারনে এ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

Facebook Comments Box

Posted ৪:২৭ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১

Alokito Bogura। সত্য প্রকাশই আমাদের অঙ্গীকার |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক :

এম.টি.আই স্বপন মাহমুদ

প্রকাশক: তৃষা মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: এম.এ রাশেদ

বার্তাকক্ষ যোগাযোগ:

০১৭৫০ ৯১১৮৪৫, ০১৬১০ ৯১১৮৪৫

ইমেইল: alokitobogura@gmail.com (নিউজ)

ইমেইল: mtishopon@gmail.com (বিজ্ঞাপন)

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
''আলোকিত বগুড়া'' সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক বগুড়া থেকে প্রকাশিত।
error: Content is protected !!