সোমবার ২৪শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

বগুড়ায় সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত

এস এম দৌলত, স্টাফ রিপোর্টার   বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১
168 বার পঠিত
বগুড়ায় সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বোরো মৌসুমে ধানের দাম মণপ্রতি ১৫০০ টাকা নির্ধারণ ও প্রতি ইউনিয়নে ক্রয় কেন্দ্র খুলে খোদ কৃষকের কাছ থেকে কমপক্ষে ৫০ লাখ টন ধান সরকারিভাবে ক্রয় করার দাবিতে-সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে বগুড়া জেলা শাখার উদ্যোগে আজ ২৯ এপ্রিল বগুড়া সাতমাথা কাজী নজরুল ইসলাম সড়কে মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট বগুড়া জেলা আহ্বায়ক কমরেড এ্যাড. সাইফুল ইসলাম পল্টু। বক্তব্য রাখেন বাসদ বগুড়া জেলা সদস্যসচিব সাইফুজ্জামান টুটুল, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট বগুড়া জেলা সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট বগুড়া জেলা সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমূখ নেতৃবৃবায়


কমরেড এ্যাড. সাইফুল ইসলাম পল্টু বলেন, দেশের হাওর অঞ্চলে ইতিমধ্যেই বোরো ধান কাটা শুরু হয়ে ৪০% ধান কাটা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত সরকার ধান ক্রয়ের জন্য দাম নির্ধারণ করেনি। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবারে বোরো ধানের উৎপাদন খরচ গড়ে ২৬ টাকার উপরে পড়েছে বলে জানিয়েছে। সে ক্ষেত্রে আমরা দীর্ঘ দিন ধরে দাবি করে আসছি যে, উৎপাদন খরচের সাথে ৪০% মূল্য সংযোজন করে ধানের দাম নির্ধারণ করতে হবে। এটা না করলে দেশের কৃষি-কৃষক কৃষি কাজ করে টিকে থাকতে পারবে না। ফলে উৎপাদন খরচের সাথে ৪০% মূল্য সংযোজন করলে ধানের দাম মণপ্রতি ১৫০০ টাকা নির্ধারণ করার জোর দাবি জানান।

কমরেড সাইফুজ্জামান টুটুল বলেন, সরকার গত বছর ধানের দাম ২৬ টাকা কেজি অর্থাৎ ১০৪০ টাকা মণ নির্ধারণ করেছিল, কিন্তু খোলা বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি থাকায় সরকারি গুদামে কৃষক ধান বিক্রি করেনি। তাছাড়া যেহেতু ধান কিনবে কম এবং চাল কিনবে বেশি সরকারের এই ভুল নীতির কারণে চাতাল ও মিল মালিকরাও সরকারি গুদামে নির্ধারিত পরিমাণে চাল সরবরাহ করেনি। ফলে দেশে সরকারি মজুদ গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকেছে। আর এর সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ী বাজার সিন্ডিকেট কারসাজি করে চালের দাম ক্রমাগত বাড়িয়ে জনজীবনে দুর্ভোগ নামিয়ে এনেছে। আমদানী শুল্ক কমিয়ে দিয়ে ২০ লাখ টন খাদ্য শস্য আমদানীর ঘোষণা দিলেও সরকারিভাবে ২ লাখ টন এবং বেসরকারিভাবে ৬ লাখ টন মোট ৮ লাখ টন মাত্র আমদানী হয়েছে। তারপরও বাজারে চালের দাম কমছে না।


অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বছরের এই সময়ে খাদ্য মজুদ ছিল ১২ লাখ টন, এ বছর তা তলানীতে নেমে এসে ৩ লাখ টনে ঠেকেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে কমপক্ষে ১৫ লাখ টন খাদ্য মজুদ থাকা উচিত। না হলে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে বাধ্য।

সরকারের ভুল নীতির ফলে একদিকে কৃষক ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে বাড়তি দামে চাল কিনতে বাধ্য হচ্ছে ভোক্তা সাধারণ। কারণ কৃষক ধান উৎপাদন করে, চাল নয়। আর সরকার চাল বেশি কিনে ধান কম কেনে। এতে সরকার মধ্যসত্তাভোগী চাতাল ও মিল মালিকদের মুনাফার স্বার্থই রক্ষা হয়।


তাই কৃষি ও কৃষক বাঁচাতে কৃষিতে মূল্য সহায়তা দিয়ে ধানের দাম মণপ্রতি ১৫০০ টাকা নির্ধারণ করে কৃষক ও ভোক্তা বাঁচাতে বোরো মৌসুমে প্রতি ইউনিয়নে ক্রয় কেন্দ্র খুলে খোদ কৃষকের কাছ থেকে কমপক্ষে ৫০ লাখ টন ধান ক্রয় করার দাবি জানান।

Facebook Comments Box

Posted ৮:৫৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১

Alokito Bogura। Online Bangla News Portal |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

সম্পাদক ও প্রকাশক:

এম.টি.আই স্বপন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: এম.এ রাশেদ

যোগাযোগ: ০১৬১০ ৯১১ ৮৪৫

অস্থায়ী কার্যালয়:

তালুকদার শপিং সেন্টার, নবাববাড়ী রোড, বগুড়া।

বার্তাকক্ষ যোগাযোগ: ০১৭৫০ ৯১১ ৮৪৫

ইমেইল: alokitobogura@gmail.com

বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন কর্তৃক নিবন্ধিত।। তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
''আলোকিত বগুড়া'' সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক বগুড়া থেকে প্রকাশিত।
error: Content is protected !!