বুধবার ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

নবান্ন উৎসব ঘিরে জমে উঠেছে মহাস্থানে বড় মাছের মেলা

গোলাম রব্বানী শিপন, স্টাফ রিপোর্টার   শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩
132 বার পঠিত
নবান্ন উৎসব ঘিরে জমে উঠেছে মহাস্থানে বড় মাছের মেলা

বগুড়ার মহাস্থানে নবান্ন উৎসবে মেতে উঠেছে বড় মাছের মেলা। ভোর থেকেই স্থায়ী- অস্থায়ী দোকানে সাজানো হয়েছে বড় বড় রুই, কাতলা, চিতল, সিলভার কার্প, বিগহেড কার্প, পাঙ্গাস, হাঙ্গরসহ নানা প্রজাতির মাছ।

মহাস্থান ফুটওভার ব্রিজের নিচে সারি সারি দোকান বসিয়ে বাঙালির এ নবান্ন মেলায় চলছিল হাঁকডাক ও দরদাম। মিলছে ১ কেজি থেকে শুরু করে ২০ কেজি ওজনের মাছ।
সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ ছোট ছেলে মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে বেশ উৎসাহ নিয়ে দেখছেন হাঙর মাছ। আবার কেউ বা কিনছেন।


নবান্ন উৎসব পালন বা এ মেলার কথা বলতে গেলে জানা যায়, প্রতি বছর বাংলা অগ্রহায়ণ মাসের ৩ তারিখে দেশব্যাপী নবান্ন উৎসব পালিত হয়। নবান্ন উৎসব মানে হলো নতুন অন্ন। বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে দিনটি বেশ প্রিয়। মহাস্থান মেলায় অংশ নিয়েছিল আশেপাশের উপজেলার হাজার হাজার মানুষ।

মেলা উৎসবে অনেকেই মেয়ে জামাই ও স্বজনদের বাড়ী বাড়ী মাছ পাঠিয়েছেন। শনিবার সকাল ১১টায় মহাস্থান মৎস্য মেলায় বিশালাকৃতির একটি মাছ মাথায় তুলে ক্রেতা আকর্ষণের চেষ্টা করছিলেন, নাগরকান্দী গ্রামের মুকুল মিয়া। একইভাবে শাতসিমুলিয়া গ্রামের ইছানুর রহমান ১০ কেজি ওজনের বিগহেড মাছ দাম হাঁকেন ৪৫০০ টাকা। ৩০০ থেকে, আকার ভেদে সাড়ে ৪৫০০ টাকা কেজি দরে বিগহেড কার্প ও সিলভার কার্প মাছ বেশি বিক্রি হয়েছে। প্রকারভেদে রুই ও কাতলা মাছ বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ৮’শ টাকা কেজি দরে।


মেলায় মাছ কিনতে আশা বেশকিছু ব্যক্তিরা জানান, এবারের মেলায় তুলনা মূলকভাবে মাছ কম উঠেছে যেকারনে দাম একটু বেশি। রায়নগর থেকে মহাস্থান হাটে মাছ কিনতে আশা মহিদুল ইসলাম, তিনি নাতীকে নিয়ে এসেছেন মেলায় মাছ কিনতে। বড় একটি মাছ কিনেছেন ৪ হাজার টাকায়।

মাছ ব্যবসায়ী কাওসার, আবু হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মাছের মেলায় অনেক লোকের সমাগম যেমন ঘটেছে তেমন বিক্রিও হয়েছে। কিন্তু মাছ বাজারের নির্বারিত জয়গা না থাকায় আমাদের বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে।


মহাস্থান মৎস্য বাজার ইজারাদার ইব্রাহীম হোসেন বলেন, মেলায় বহু ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের দেখে ভালো লাগছে। আসলে বাঙালি জীবন থেকে উৎসবগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। এ রকম উৎসবে অংশ নিতে পারলে ব্যস্ততম জীবনে মানুষ প্রশান্তির ছোঁয়া পাবে। তাই এ মেলার আয়োজন করলে প্রতি বছর এলাকায় উৎসব বিরাজ করে। কিন্তু মৎস্য হাটের জায়গা না থাকায় আমাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। তাই আগামীতে মৎস্য বাজার প্রসারন করতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Facebook Comments Box

Posted ৭:২৮ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩

Alokito Bogura || Online Newspaper |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

উপদেষ্টা:
শহিদুল ইসলাম সাগর
চেয়ারম্যান, বিটিইএ

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রকাশক:
এম.টি.আই স্বপন মাহমুদ
বার্তা সম্পাদক: এম.এ রাশেদ
সহ-বার্তা সম্পাদক: মোঃ সাজু মিয়া

বার্তা, ফিচার ও বিজ্ঞাপন যোগাযোগ:
+৮৮০ ৯৬ ৯৬ ৯১ ১৮ ৪৫
হোয়াটসঅ্যাপ ➤০১৭৫০ ৯১১ ৮৪৫
ইমেইল: alokitobogura@gmail.com

বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন কর্তৃক নিবন্ধিত।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
error: Content is protected !!